যশোর শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুখে আযম
সুমন ঘোষ যশোর
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ফারুখে আযম মু. আব্দুস ছালাম। তিনি বর্তমানে খুলনার সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ৭ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে প্রেষণে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই প্রজ্ঞাপনে বর্তমান চেয়ারম্যান মোসাম্মৎ আসমা বেগমকে ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজে বদলি করা হয়েছে।
অধ্যাপক ফারুখে আযম সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার বাসিন্দা। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। কর্মজীবনে দীর্ঘ সময় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলাকে এনসিটিবির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবিরকে ঢাকা কলেজে বদলি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সচিব খোন্দকার মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান। বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিঞা নুরুল হককে ঢাকা কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব শামীম আরা চৌধুরীকে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং দেবীদ্বার এস এ সরকারি কলেজের অধ্যাপক মো. আহসান পারভেজকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পৃথক আদেশে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ ন ম মোফাখখারুল ইসলামকে রাজশাহী কলেজে বদলি করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ পদায়ন ও বদলির মাধ্যমে দেশের শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন নেতৃত্ব এসেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সমন্বিত হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..