. .
.

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রিপোর্টারের নাম: ফুলতলা প্রতিদিন
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Jul 25, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: File photo

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকার সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা (২৫ জুলাই, ২০২৬): দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সামগ্রিক বিকাশ এবং বিশ্বমানের আধুনিক ও শিল্পবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকার তার সাধ্য ও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত প্রেক্ষাপটে তথ্যপ্রযুক্তি ও মাইক্রোচিপস শিল্পের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব বিবেচনা করে এই সম্ভাবনাময় খাতকে দেশের আগামী দিনের নতুন অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে রূপান্তর করতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

​আজ শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে অত্যন্ত উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’-এর ঐতিহ্যবাহী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বারোপ করে বলেন, "বর্তমান যুগ হলো বিশ্বব্যাপী হাই-টেক ম্যানুফ্যাকচারিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এবং আধুনিক সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসের যুগ। বিশ্বজুড়ে চলমান চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির মূল ধারায় স্বাবলম্বীভাবে যুক্ত হতে হলে বাংলাদেশকে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনিং, চিপ ম্যানুফ্যাকচারিং ও মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তিতে বিশেষ জোর দিতে হবে। বাংলাদেশ যদি বিশ্ব বাজারে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করতে চায়, তবে হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিতে স্থায়ী ভিত্তি স্থাপন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।"

​তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে প্রচুর মেধাবী তরুণ ও সম্ভাবনাময় তরুণ প্রকৌশলী রয়েছে। আন্তর্জাতিক চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই তরুণদের বিশ্বমানের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে। তাদের প্রয়োজনীয় উচ্চতর প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও নিত্যনতুন উদ্ভাবনী কাজের সুযোগ করে দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। দেশে হাই-টেক শিল্প প্রতিষ্ঠায় দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা, রাজস্ব ছাড় এবং আধুনিক অবকাঠামোগত সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

​প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে শিল্প প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি পার্টনারশিপ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সরকারি সহযোগিতা পেলে এ দেশের তরুণ প্রকৌশলীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

​দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই বিশেষ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেশ ও বিদেশের বহু খ্যাতনামা প্রযুক্তিবিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক, শিল্প উদ্যোক্তা এবং ইলেকট্রনিক্স ও টেকনোলজি খাতের প্রকৌশলীরা অংশগ্রহণ করেছেন। সিম্পোজিয়ামে সেমিকন্ডাক্টর খাতের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শেষে এই জাতীয় সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

.
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
.
--
--