খুলনা বিআরটিসি বাস ডিপোতে দূর্ণীতি, নেপথ্যে ম্যানেজার মোশারফ
সুমন সরদার ,ডেক্স রিপোর্ট।
খুলনা বিআরটিসি বাস ডিপোতে দূর্নীতির মহা উৎসব চলছে। নেপথ্যে চাবি কল ঘুরাচ্ছে ডিপো ইনচার্জ ম্যানেজার মোশারফ হোসেন। তাঁর নেতৃত্বে দূর্নীতির চাকা ঘুরছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মোশারফ হোসেন যোগদানের পর থেকে একটি সিন্ডিকেট দিয়ে পুরো ডিপোর কার্যক্রম চলছে। যেখানে ম্যানেজার নাম মাত্র তাঁর চেয়ারে বসে থাকে। বাসগুলো রিপিয়ার নামমাত্র করে মহাসড়ক চালাচ্ছে এতে যেকোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় দূর্ঘটনা। এখানেই শেষ নয় বাস রিপিয়ারে নতুন যন্ত্রাংশ না লাগিয়ে পুরাতন গাড়ীর থেকে যন্ত্রাংশ খুলে লাগিয়ে বিল ভাউচার করে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়। এছাড়া ডিপোর কারিগরি শাখায় কর্মরত ফোরম্যানদের সরাসরি নির্দেশনায় ভূয়া বিল সিলিপ তৈরি করা হচ্ছে বলে তথ্য উঠে আসে।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, বিআরটিসির শিরোমনি বাস ডিপোর অভ্যান্তরে একটি বাসের চ্যাসিস আলাদা হয়ে গেছে। ওই বাসের চ্যাসিস জোড়া তালি দেওয়া হচ্ছে । যা পরিবহনের জন্য ঝুঁিকপূর্ণ বলে তথ্য উঠে আসে। এছাড়া বিআরিটিস বাস ডিপোর অন্যএকটি বাসের চাকা খুলে অন্য বাসে লাগানো হয়েছে। অথচ নতুন টায়ারের বিল ভাউচার করা হয়েছে। খুলনা থেকে বিআরটিসির যে কয়েকটি বাস দুরপাল্লায় ছেড়ে যায় তার অধিকাংশ বেহাল দশায় পরিনিত হয়েছে। অনেক বাসের সিট, জানলা খুলে খুলে পড়ছে। কোন রকম জোড়া তালি দিয়ে খুলনা বিআরিটসি বাসগুলো রাস্তায় চলছে। নতুন যন্ত্রাংশ কারিগরদের না দিয়ে দুই নাম্বার, পুরাতন যন্ত্রাংশ কোন রকম ব্যবহার করে সড়কে বাস চলাচলে উপযোগি করা হচ্ছে । ফলে যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা।
বিআরটিসির ম্যানেজার মোশারফ হোসেন এর সাথে এ বিষয় কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভড করেনি। নুরুজ্জামান নামে এক কর্মকর্তা জানান, আমার স্যার বলেছে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য প্রমাণ থাকলে তিনি নিউজ করার কথা বলেন। আগামী প্রতিবেদনে বিস্তারিত আসছে।
এ জাতীয় আরো খবর..