. .
.

‎বটিয়াঘাটায় এলজিইডি প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুতর অনিয়ম, গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন

রিপোর্টারের নাম: ফুলতলা প্রতিদিন
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Feb 18, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: LGED

‎বটিয়াঘাটায় এলজিইডি প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুতর অনিয়ম, গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন
‎
‎স্টাফ রিপোর্টারঃ 

‎খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আওতাধীন দুটি ইট সোলিং কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কাজ দুটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোঃ ফজলুর রহমান ও মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ।

‎এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে রায়পুর খেয়াঘাট থেকে ভগবতীপুর মাঙ্গা নদীর অভিমুখে ১৫৭৫ ফিট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফিট প্রস্থের ইট সোলিংয়ের কাজ পায় ঠিকাদার মোঃ ফজলুর রহমান। অপরদিকে ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে রায়পুর খেয়াঘাট ওয়াপদা থেকে ভগবতীপুর গেট অভিমুখে ১৩১৩ ফিট দৈর্ঘ্য ও ৭ ফিট প্রস্থের আরেকটি ইট সোলিংয়ের কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় মেসার্স সুমি এন্টারপ্রাইজ।
‎সরকারি স্টিমেট অনুযায়ী, ইটের নিচে ৪ ইঞ্চি বালি ও ইটের উপরে ১ ইঞ্চি বালি দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্থানে ইটের নিচে মাত্র ১.৫ থেকে ২.৫ ইঞ্চি বালি ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া ইটের উপরে নামমাত্র বালি আবার কিছু কিছু জায়গায় বালি না দিয়ে কাজ শেষ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে হ্যাজিংয়ের বাইরে ১ ফিট টাইট মাটি দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে হালকা ও আলগা মাটি ব্যবহার করা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত না করে অনেক জায়গায় আদুলী ইট ব্যবহার করা হয়েছে।
‎ভগবতীপুর এলাকার অমল মন্ডল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে কাজ করলে দুই-এক বছর না যেতেই রাস্তা ভেঙে যাবে। আমরা ঠিকাদারকে বললেও কোনো কথা শোনেনি। সরকারি টাকার কাজ এভাবে করলে জনগণেরই ক্ষতি।

‎রায়পুর এলাকার বাহাউদ্দীন সরদার বলেন,
‎স্টিমেট অনুযায়ী কাজ হলে রাস্তা অনেক টেকসই হতো। কিন্তু এখানে স্পষ্টভাবে অনিয়ম করা হয়েছে।
‎তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, কাগজে-কলমে দুটি কাজ দুইটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের নামে হলেও বাস্তবে চুক্তিভিত্তিতে উভয় কাজই পরিচালনা করছেন ঠিকাদার মোঃ ফজলুর রহমান। ফলে দুটি প্রকল্পেই একই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত ঠিকাদার মোঃ ফজলুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি নিয়ম মেনেই কাজ করেছি।

‎এলজিইডি বটিয়াঘাটা উপজেলার প্রকৌশলী গৌতম কুমার মন্ডল বিস্তারিত জানার জন্য এলজিডি অফিসের সার্ভেয়ার রাগিব হাসান এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে।
‎পরবর্তীতে সার্ভেয়ার রাগিব হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমিও জেনেছি কাজে কিছুটা অনিয়ম হচ্ছে। বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে এবং কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

.
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
.
--
--