কাকীকে মেরে হাঁড় ভেঙে ও রক্তাক্ত জখম করে মামলা থেকে বাঁচতে কাকার নামে গরু লুটের অভিযোগ
আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:
আশাশুনিতে কাকীকে মেরে হাঁড় ভেঙে ও মাথায় দা'য়ের কোপ মেরে রক্তাক্ত জখম করে মামলা থেকে বাঁচতে নিজের গরু মামার বাড়িতে রেখে এসে কাকার বিরুদ্ধে গরু লুটের মিথ্যা অভিযোগ করে পত্রিকায় নিউজ করিয়েছে আপন ভাইয়ের ছেলে বুধহাটা ইউনিয়নের রামদেব কাটি গ্ৰামের মৃত অমল দাশের পুত্র অভিজিৎ দাশ ওরফে সুশান্ত। এ বিষয়ে শুশান্তের কাকা ব্যাংক কর্মকর্তা বসুদেব দাশ জানান, গত ২৫ নভেম্বর মঙ্গলবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার স্ত্রী ও আমার বৌদি তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে আমার ভাইয়ের ছেলে শুশান্তের হাতে থাকা দা'য়ের কোপে ও লোহার রডের আঘাতে আমার স্ত্রী সবিতা মন্ডল মারাত্মক হাড় ভাঙা ও রক্তাক্ত জখম হয়েছে। দা'য়ের কোপে মাথার মধ্যখানে কেটে যাওয়া ও লোহার রডের আঘাতে হাত ভেঙে যাওয়া সবিতা মন্ডলকে ঘটনার দিনই অ্যাম্বুলেন্স যোগে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সবিতা নিজে বাদি হয়ে আশাশুনি থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। এসময় বসুদেব ও তার বড় ছেলে চাকরী সূত্রে যশোরে অবস্থান করায় এবং ছোট ছেলে স্কুলে থাকায় বাড়িতে আর কেউ ছিলো না। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি পত্রিকায় " আশাশুনির রামদেব কাটিতে পানির ট্যাংকি, ঘরবাড়ি ভাংচুর ও গরু লুটের অভিযোগ" শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু যার ট্যাংকি, ঘরবাড়ি ও গরু লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে তিনি গোয়ালের গরু বাবার বাড়িতে রেখে আমার নামে গরু লুটের অভিযোগ করেছেন। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর চাপে বৃহস্পতিবার গরু বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছেন
। পানির ট্যাংকি ও ঘরবাড়ি ভাংচুরের বিষয়ে প্রতিবেশিরা জানান, শুশান্তদের ট্যাংকির চাল তার কাকা বসুদেবের ঘরের দেওয়ালের সাথে সংযুক্ত ছিলো। ঘটনার পরে বসুদের ঐ চালটি তার ঘরের দেওয়াল থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। আর পানির ট্যাংকিটি অক্ষত আছে, সেটা ভাংচুর করা হয়নি।
এ জাতীয় আরো খবর..