কেশবপুর সরকারি হাসপাতাল ১৩ মাস ধরে নেই জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন
তুহিন হোসেন যশোর জেলা প্রতিনিধি
যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালে জলাতঙ্ক টিকার সংকট দীর্ঘদিনের বিনামূল্যের এ টিকা না থাকায় বাধ্য হয়েই বাহিরের ফার্মেসি থেকে বেশি দামে কিনে টিকা নিচ্ছেন রোগীরা। রোগীদের এ সংকট দীর্ঘদিনের এবং সংশ্লিষ্টরা বলছেন দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ সমস্যা।
জানা যায়, উপজেলার ১১ টি ইউনিয়ন ১ পৌর শহরে পোষা প্রাণী ও বেওয়ারিশ কুকুরের আক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী ভ্যাকসিন না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সেবা দেয়া একমাত্র সরকারি কেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল থেকে ভ্যাকসিন না পেয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে আক্রান্তদের। হাসপাতালের জলাতঙ্কের সেবাটি বিনামূল্যে পাওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। রোগীদের দাবি,বাইরের ফার্মেসি থেকে টিকা সংগ্রহ করে এনে দিলেই তা পুশ করে দেয়া হচ্ছে।
হাসপাতালে কয়েকজন রোগী জানান, সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যের ভ্যাকসিনটি পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে তারা বাইরে থেকে কিনে এনে টিকা নিচ্ছেন।জরুরি ও ব্যয়বহুল এই টিকাটি দ্রুত সরবরাহের দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেহেনেওয়াজ -ফুলতলা প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন প্রায় ১৩ মাস স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নাই, এর আগে স্বাভাবিক ছিল। সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ভ্যাকসিন আসলে আবারো বিনামূল্যে তা দেয়া হবে। মানুষের আর্থিক বিষয়টি চিন্তা করে বাইরে থেকে ক্রয় করে একটি ভ্যাকসিন চারজনকে দেয়া হচ্ছে। এতে তারা চার ভাগের একভাগ দাম দিয়ে ভ্যাকসিনটি নিতে পারছেন। তিনি আরও জানান, প্রতিদিন কেশবপুর মনিরামপুর এবং পার্শ্ববর্তী জেলার কলারোয়া এক অংশ রোগী এই হসপিটালে সেবা গ্রহণের জন্য আসেন ১০ থেকে ১৫ জন রোগী প্রতিদিন হাসপাতালে পাওয়া যায়। বেশিরভাগ রোগী বিড়ালের কামড়ের তবে জলাতঙ্কের টিকা সরবরাহ বন্ধ থাকায়, মারাত্মত ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে সাধারণ জনগণ। মানুষ বিড়াল বেশি পোষায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে জরুরি এ টিকাটির সরবরাহ পেতে চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে আশা করি দ্রুতই সমস্যাটি সমাধান হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..