. .
.

সিরাজগঞ্জে পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা,

রিপোর্টারের নাম: ফুলতলা প্রতিদিন
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Mar 16, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: File photo

সিরাজগঞ্জে পুলিশ সুপারের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, 
মো: সুলতান মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ 
জেলা প্রতিনিধি :

সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি ব্যবহার করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা দাবি ও প্রতারণার অভিযোগে তিন প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৬ মার্চ ২০২৬) জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সিরাজগঞ্জ সদর থানার যৌথ অভিযানে বগুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বগুড়া জেলার শেরপুর থানার কৃষ্ণপুর নামাপাড়া গ্রামের আমজাদের ছেলে মো. সোহেল মিয়া (৩৪), ধুনট থানার চালাপাড়া গ্রামের মৃত রমজান আকন্দের ছেলে মো. বাদশা আকন্দ (৫০) এবং তার ছেলে শেরপুর থানার খানপুর পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. রিপন (২২)।
পুলিশ জানায়, প্রতারকরা ০১৮৮৫-৩৫২৫৬৪ ও ০১৯৯৮-১০০৮৭৬ নম্বর ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারের ইউনিফর্ম পরা ছবি ব্যবহার করত। এরপর নিজেদের পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে বিশেষ করে শাড়ি ও লুঙ্গি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ঈদের সম্মানীর নামে চাঁদা দাবি করত।
বিষয়টি পুলিশ সুপার জানতে পারলে তিনি সিরাজগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে প্রতারকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে জেলা গোয়েন্দা শাখা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতারকদের অবস্থান শনাক্ত করে।
সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার) এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সার্কেল) মো. নাজরান রউফের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। টিমে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. শারফুল ইসলাম, এএসআই মো. পলাশ হোসেন, এএসআই বৃন্দাবন রায়, এএসআই মো. আশরাফুল আলম এবং সিরাজগঞ্জ থানার এসআই মামুন মিয়াসহ অন্য সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযানে সোহেল মিয়ার হেফাজত থেকে একটি আইটেল অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি স্যামসাং অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং নগদ তিন হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে তারা সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি ও প্রতারণা করে আসছিলেন।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

.
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
.
--
--