. .
.

ইহুদি সম্প্রদায়ের পিতৃভূমি ইসরায়েল এবং মাতৃভূমি ভারত —নরেন্দ্র মোদি

রিপোর্টারের নাম: ফুলতলা প্রতিদিন
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Feb 25, 2026 ইং
  • ৭৮১ বার
ছবির ক্যাপশন: File photo

ইহুদি সম্প্রদায়ের পিতৃভূমি ইসরায়েল এবং মাতৃভূমি ভারত —নরেন্দ্র মোদি

আইবিএন রিপোর্ট: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন। জেরুসালেমে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ দেওয়া এই ভাষণে তিনি ভারতীয় উৎসের ইহুদি সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল তাদের পিতৃভূমি এবং ভারত তাদের মাতৃভূমি।

মোদির সরাসরি উক্তি: “তারা (ইহুদিরা) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল তাদের পিতৃভূমি এবং ভারত তাদের মাতৃভূমি। আমরা তাদের নিয়ে গর্বিত।”

ভাষণে ভারত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও ইসরায়েল দুটি প্রাচীন সভ্যতা। দুই দেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত বন্ধন রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করে জানান, “কোনো কিছুই সন্ত্রাসবাদকে ন্যায্যতা দিতে পারে না। যেকোনো স্থানে সন্ত্রাস শান্তির জন্য হুমকি।”

ইসরায়েলের প্রতি অটুট সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তোমাদের বেদনা অনুভব করি। আমরা তোমাদের দুঃখ ভাগ করে নিই। এই মুহূর্তে এবং তার পরেও ভারত ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে আছে—দৃঢ়ভাবে, পূর্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে।”

ভাষণে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানানো হয়। গাজা শান্তি উদ্যোগের প্রতি ভারতের সমর্থনও তুলে ধরেন তিনি।

নেসেট স্পিকারের পক্ষ থেকে “স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল” গ্রহণ করে মোদি এটিকে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক বলে উল্লেখ করেন। ভাষণের পর নেসেট সদস্যরা দাঁড়িয়ে করতালি দেন।

এটি মোদির দ্বিতীয় ইসরায়েল সফর (প্রথম ২০১৭ সালে)। ভারতে ইহুদি সম্প্রদায় শতাব্দী ধরে শান্তিতে বসবাস করেছে—কোনো নির্যাতন বা বৈষম্য ছাড়াই। ইসরায়েলে ভারতীয় উৎসের ইহুদিরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, জনসেবা ও জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখছেন।

সফরকালে নরেন্দ্র মোদি নেতানিয়াহু, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে মিলিত হন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি চুক্তি চূড়ান্ত করার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রিপোর্ট: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন। জেরুসালেমে ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ দেওয়া এই ভাষণে তিনি ভারতীয় উৎসের ইহুদি সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল তাদের পিতৃভূমি এবং ভারত তাদের মাতৃভূমি।

মোদির সরাসরি উক্তি: “তারা (ইহুদিরা) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে ইসরায়েল তাদের পিতৃভূমি এবং ভারত তাদের মাতৃভূমি। আমরা তাদের নিয়ে গর্বিত।”

ভাষণে ভারত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ভারত ও ইসরায়েল দুটি প্রাচীন সভ্যতা। দুই দেশের মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত বন্ধন রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করে জানান, “কোনো কিছুই সন্ত্রাসবাদকে ন্যায্যতা দিতে পারে না। যেকোনো স্থানে সন্ত্রাস শান্তির জন্য হুমকি।”

ইসরায়েলের প্রতি অটুট সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা তোমাদের বেদনা অনুভব করি। আমরা তোমাদের দুঃখ ভাগ করে নিই। এই মুহূর্তে এবং তার পরেও ভারত ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে আছে—দৃঢ়ভাবে, পূর্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে।”

ভাষণে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার আহ্বান জানানো হয়। গাজা শান্তি উদ্যোগের প্রতি ভারতের সমর্থনও তুলে ধরেন তিনি।

নেসেট স্পিকারের পক্ষ থেকে “স্পিকার অব দ্য নেসেট মেডেল” গ্রহণ করে মোদি এটিকে দুই দেশের বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক বলে উল্লেখ করেন। ভাষণের পর নেসেট সদস্যরা দাঁড়িয়ে করতালি দেন।

এটি মোদির দ্বিতীয় ইসরায়েল সফর (প্রথম ২০১৭ সালে)। ভারতে ইহুদি সম্প্রদায় শতাব্দী ধরে শান্তিতে বসবাস করেছে—কোনো নির্যাতন বা বৈষম্য ছাড়াই। ইসরায়েলে ভারতীয় উৎসের ইহুদিরা শিক্ষা, সংস্কৃতি, জনসেবা ও জাতীয় নিরাপত্তায় অবদান রাখছেন।

সফরকালে নরেন্দ্র মোদি নেতানিয়াহু, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভারতীয় প্রবাসীদের সঙ্গে মিলিত হন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি চুক্তি চূড়ান্ত করার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

.
কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..
.
--
--