যশোরে মাছের ঘেরে ভয়ংকর শিপনের নেতৃত্বে হামলা ও লুট
নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় ভয়ংকর শিপনের নেতৃত্বে একটি মাছের ঘেরে হামলা, মাছ লুট এবং মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় ভুক্তভোগী ঘের মালিক তানভীর আহমেদ মুন্না বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, যশোর কোতয়ালী থানাধীন মোবারককাঠি এলাকায় তানভীর আহমেদ মুন্নার একটি মাছের ঘের রয়েছে। গত ১৯ জুন রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটের দিকে একদল দুর্বৃত্ত পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত ঘেরে প্রবেশ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, শংকরপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার বাসিন্দা মোঃ শিপনের (পিতা: রোস্তম) নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়। মামলায় শিপনসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন— মোঃ পিয়াস (পিতা: চান আলী), মোঃ রাতুল (পিতা: অজ্ঞাত), মোঃ হাবিবুর রহমান (পিতা: বজলু রহমান), মোঃ রবিউল ইসলাম (পিতা: মেহের আলী) এবং মোঃ শাকিব (পিতা: আব্দুল আজিজ)।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, ঘটনার রাতে শিপন ও তার সহযোগীরা ঘেরে প্রবেশ করে সেখানে দায়িত্বরত নাইটগার্ড সিরাজুল ইসলামকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
এমনকি ঘেরের ঘরটি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দেয় হামলাকারীরা। পরবর্তীতে তারা জাল ফেলে ঘের থেকে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৩ লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যায়।
মাছ লুটের পাশাপাশি নাইটগার্ডের ঘরে থাকা ১টি মোটর, ঘাস কাটার মেশিন, বৈদ্যুতিক তার, সাবমার্সিবল পাম্প, টর্চ লাইট, ফ্যান এবং মাছের খাবারসহ আনুমানিক ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ঘের মালিক তানভীর আহমেদ মুন্না আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতয়ালী মডেল থানায় আবেদন জানিয়েছেন। থানা পুলিশের তদন্ত শেষে এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য ও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানা গেছে।
এ জাতীয় আরো খবর..