বৃষ্টির তাণ্ডবে ‘পাহাড় ধসে’ মৃত্যুরমিছিল
ফুলতলা ডেস্ক ঃ বৃষ্টির তাণ্ডবে ‘পাহাড় ধসে’ মৃত্যুরমিছিল। মূলত বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি, নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন এবং পাহাড় কাটার কারণে পাহাড়ধসের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। অপরিকল্পিত বসতি স্থাপন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলে যাওয়ায় এই দুর্যোগ এখন আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এরইমধ্যে টানা ভারী বর্ষণে কক্সবাজারের জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাহাড়ধস, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় জেলার অন্তত ৯টি উপজেলার ৩৩টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও টেকনাফের হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এদিকে পাহাড়ধস ও ঘরধসের ঘটনায় গত দুই দিনে জেলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা পাঁচ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথ।
তবে পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সকাল থেকে মাঠে নেমেছেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সতর্ক অবস্থানে আছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেড ক্রিসেন্ট ও রোবার স্কাউট দল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলায় মোট ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটি শহরে পূর্বনির্ধারিত ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে।
জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানান, বৈরী আবহাওয়ায় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতির পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের সরিয়ে নিতে মাঠে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে লাগাতার বৃষ্টিপাত হওয়ায় গত রোববার থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করে জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। শহরের ২৮ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।
উখিয়ার আশ্রয়শিবির ধসের আতঙ্ক নিয়ে থাকছেন বাসিন্দারা: কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী আশ্রয়শিবিরের সি-ব্লকে ৭০-৮০ ফুট উঁচু খাড়া পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। দূর থেকেও পাহাড়ের এই কাটা অংশ চোখে পড়ে। পাহাড়টির ঢাল ও পাদদেশে গড়ে তোলা হয়েছে ৪৫টি ত্রিপল ও বাঁশ দিয়ে তৈরি ঘর। প্রতিটা ঘরে বসবাস করে দুই থেকে চারটি রোহিঙ্গা পরিবার। ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ের কিছু অংশ ধসে মাটি প্রবেশ করেছে ঘরগুলোয়। এর পাশাপাশি ঢুকেছে ঢলের পানিও। বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঘরে ঢুকে পড়া কাদাপানি পরিষ্কার করছিলেন বাড়িগুলোর বাসিন্দারা। মঙ্গলবার বিকেলে বালুখালী শিবিরে গেলে এমন পরিস্থিতি চোখে পড়ে। এক রাতের ভারী বর্ষণে এই আশ্রয়শিবিরে একাধিক পাহাড়ধসে আটজনের মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা। ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আবারও যেকোনো সময় পাহাড়ধস হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা। তবে আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান বলেন, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণেই ভারী বর্ষণ। নিম্নচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে পড়েছে। আগামী দুই দিনও ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ কারণে আশ্রয়শিবিরের পাশাপাশি কক্সবাজার শহর ও আশপাশের পাহাড়ে ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
বালুখালী আশ্রয়শিবিরে গিয়ে দেখা গেছে, শিবিরের রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে আছে। আশপাশের দোকান ও নিচু ঘরবাড়িতেও ঢুকেছে বৃষ্টির পানি। ওই অবস্থায় নিত্যদিনের কাজে ব্যস্ত রোহিঙ্গারা। কেউ ঘর সারাচ্ছেন আর কেউ জরুরি রসদ, খাবার জোগাড়ে ব্যস্ত। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে উখিয়ার ৭ হাজারের বেশি বনভূমি ও পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয় ৯ লাখ রোহিঙ্গার ২৩টি আশ্রয়শিবির। এর মধ্যে শুধু বালুখালীর ১১ নম্বর ক্যাম্পে বসবাস ৬০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার। ক্যাম্পজুড়ে ৫০-৬০টি পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে অধিকাংশ ঘর তোলা হয়েছে। ঘর তোলার প্রয়োজনে কাটা হয়েছে পাহাড়গুলোর ওপরের মাটি ও গাছপালা। এর ফলে ভারী বর্ষণ হলেই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। শুধু বালুখালীর ১১ নম্বর ক্যাম্পে বসবাস ৬০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গার। ক্যাম্পজুড়ে ৫০-৬০টি পাহাড়ের ঢালে ও পাদদেশে অধিকাংশ ঘর তোলা হয়েছে। ঘর তোলার প্রয়োজনে কাটা হয়েছে পাহাড়গুলোর ওপরের মাটি ও গাছপালা। এর ফলে ভারী বর্ষণ হলেই ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। পাশের জামতলি আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-১৫) পাহাড়ের ঢালুতেও দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। এই শিবিরেও ভারী বর্ষণে ডুবে গেছে নিচু এলাকার ঘরগুলো। একই দশা কুতুপালং, লম্বাশিয়া, মধুরছড়া আশ্রয়শিবিরের। মঙ্গলবার ভারী বর্ষণ উপেক্ষা করে বালুখালী শিবিরের কয়েকজন রোহিঙ্গা পুরুষ বাড়ির সীমানা বেড়ার কাছে জমে থাকা পাহাড়ের মাটি সরানোর কাজ করছিলেন। আর ঘরের ভেতরে জমে থাকা কাদা পরিষ্কার করছিলেন নারীরা। একটি বাড়ির বাসিন্দা কেফায়ত উল্লাহ (৪৫) বলেন, উঁচু পাহাড় থেকে খাড়াভাবে কেটে কিছু অংশ কেটে সমতল করে সেই ভূমিতে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ভারী বর্ষণ শুরু হলে কাটা অংশের মাটি ধসে ঘরবাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। ঘরের ওপরে পাহাড়ের আরও ৩০-৪০ ফুট। যেকোনো সময় পাহাড়ের ওই অংশ ধসে ঘরবাড়ির ওপর চাপা দিলে নিশ্চিত প্রাণহানি ঘটবে—এই আতঙ্কে বাসিন্দাদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। রোহিঙ্গা নারী নুর কলিমা (৩৫) বলেন, ঢলের পানিতে ভেসে আসে পাহাড় কাটার কাদামাটি। সেই কাদা ঘরের ভেতরে জমে থাকে। পরিষ্কার করলে আবার কাদা জমে যায়, রাতে ঘুমানো যায় না। পাহাড়ি ঢলের পানিতে হাঁটাচলার রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় ঘর থেকে নিচে ওঠানামা করা যায় না। খাবার পানি আনতে প্রতিদিন দুবার নিচের বাজারে যেতে হয়। তা-ও সম্ভব হচ্ছে না।
আশ্রয়শিবিরের পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনা হচ্ছে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, ভারী বর্ষণের ফলে বিভিন্ন পাহাড়ে ভূমিধসের ঘটনা ঘটছে। এক রাতেই একাধিক ভূমিধসের ঘটনায় নারী-শিশুসহ আটজন রোহিঙ্গার মৃত্যুর ঘটনায় আতঙ্ক-উদ্বেগ বাড়ছে। নতুন আসা রোহিঙ্গাদের অনেকে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি করছেন। অনেকে পাহাড় কেটে ঘর করে ভাড়া দিচ্ছেন। তাতে সংকট আরও বাড়ছে। প্রাণহানি ঠেকাতে ইতিমধ্যে পাহাড়ের ঝুঁকিতে থাকা অন্তত তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে আনা হয়েছে। অবস্থা বুঝে আরও কয়েক হাজারকে সরিয়ে আনা হবে।
নিম্নচাপের প্রভাবে রাঙামাটিতে টানা তিন দিন ধরে বৃষ্টিপাতে পাহাড় ধসে বাঘাইছড়ি উপজেলায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরের পশ্চিম নাইল্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত লক্ষ্মী বিলাস চাকমা (৬২) ওই এলাকার মৃত ধরনাচাষ্য চাকমার ছেলে। একই সময়ে জেলা সদরের পৌরসভার শিমুলতলী এলাকায় একটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহত হয়নি। এরআগে সোমবার টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার ও রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের মর্মান্তিক ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দারা এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছেন। ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সাথে নৌ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তবে যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাঙামাটিতে ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরতে মাইকিং করছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, আগামী দুই দিনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের ঝুঁকি বহাল থাকবে।
চলতি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টেকনাফ উপজেলা। উপজেলার হ্নীলা, হোয়াইক্যং, সদর, সাবরাং ও বাহারছড়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এবং বহু বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী বলেন, ইউনিয়নের অন্তত ৪০০টি ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন গ্রামীণ সড়ক। এছাড়া শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মো. অনীক চৌধুরী বলেন, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে এবং আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। উত্তাল সাগর ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা পাঁচ দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে দ্বীপটি মূল ভূখণ্ড থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্টমার্টিনের দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থী টেকনাফে এসে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। জেলা প্রশাসন তাদের পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে বিশেষ আবেদন জানিয়েছে। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের পরবর্তী সময়ে মূল ভূখণ্ডে আনা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় দ্বীপে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দ্বীপে তীব্র খাদ্যসংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার পৌরসভার হোটেল-মোটেল জোন, কলাতলী, সুগন্ধা, বাজারঘাটা, কালুর দোকান, তারাবনিয়াছড়া, আলীরজাহাল, বাস টার্মিনাল ও বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ঈদের ছুটিতে আসা পর্যটকেরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অন্যদিকে কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী-কৈয়ারবিল সড়কের একটি জরাজীর্ণ সেতু ভেঙে পড়ায় দুই এলাকার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে কক্সবাজারে একই ধরনের দুর্যোগের পুনরাবৃত্তি ঘটে। পাহাড় কেটে গড়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ বসতি, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সীমিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কারণে এই সংকট বারবার তৈরি হচ্ছে। তাই সাময়িক উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ জাতীয় আরো খবর..